গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ বের করার সহজ নিয়ম ২০২৬

রাস্তায় চলার সময় অনেকেরই কোনো গাড়ির নাম্বার দেখে সেটির মালিক কে, গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন ঠিক আছে কি না বা গাড়িটির অন্যান্য তথ্য জানার প্রয়োজন হতে পারে।

বিশেষ করে দুর্ঘটনা, গাড়ি কেনাবেচা, সন্দেহজনক পরিস্থিতি কিংবা কোনো আইনি প্রয়োজনে গাড়ির মালিকের তথ্য যাচাই করার দরকার হতে পারে।

তবে এখানে একটি বিষয় শুরুতেই জেনে রাখুন শুধু গাড়ির নাম্বার প্লেট লিখে যেকোনো ব্যক্তির মালিকের নাম, মোবাইল নম্বর বা ঠিকানা প্রকাশ্যে বের করার কোনো উন্মুক্ত সরকারি ব্যবস্থা নেই।

বাংলাদেশে মোটরযানের নিবন্ধন ও মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএর (BRTA) আওতাধীন।

বিআরটিএর সিস্টেমে মালিকের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে, কিন্তু এসব তথ্য সাধারণভাবে সবার জন্য উন্মুক্ত নয়।

তবে আপনি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে মালিকের নাম বের করতে পারেন। গাড়ির ডিটেলস সহ বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

আজকের আর্টিকেলে গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ বের করার সহজ নিয়ম জানানো হলো।

গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ

প্রয়োজনীয় মুহূর্তে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে সহজেই মালিকের নাম বের করতে পারেন। বিশেষ করে দুর্ঘটনা বা আইনি জটিলতায় পড়ে গেলে তখন অনেক সময় গাড়ির মালিকের নাম বের করতে হয়।

অবশ্যই পড়ুনঃ

সে ক্ষেত্রে আপনারা চাইলে সরকারি বিআরটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে গাড়ির ডিটেলস সহ মালিকের নাম খুঁজে বের করতে পারেন। নিম্নে ধাপে ধাপে দেখানো হলোঃ

স্টেপ ১ঃ

গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বের করতে হলে প্রথমেই আপনাকে মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার এর যেকোনো ব্রাউজার এ গিয়ে “bsp brta” সার্চ করতে হবে।

সার্চ করার পর আপনার সামনে অনেকগুলো ওয়েবসাইট আসবে এর মধ্যে থেকে প্রথম ওয়েবসাইটটিতেই প্রবেশ করবেন। অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম সহ ইউজার ম্যানুয়াল দেখুন।

স্টেপ ২ঃ

এবার দ্বিতীয় স্টেপ এর কাজ হচ্ছে আপনার ওই ওয়েবসাইটটিতে যদি আপনার একাউন্ট আগে না থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নতুন একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এখন খোলার জন্য উপরের কর্নারে নিবন্ধন নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন।

এবার আপনার সামনে একটি ফ্রম আসবে যেখানে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী নাম , জন্মতারিখ ইত্যাদি বসিয়ে নিজের মোবাইল নাম্বার অথবা ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন করুন অপশনটিতে ক্লিক করুন। তাহলেই হয়ে গেল একাউন্ট খোলা।

স্টেপ ৩ঃ

এবার আপনি যদি একাউন্ট সঠিকভাবে খোলা হয়ে থাকে এবার তার পাশে আপনি প্রবেশ করুন অপশনটিতে ক্লিক করবেন।

এবার আপনাকে যেই ইমেইল বা নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একটু আগে একাউন্ট খুলেছিলেন সেটি দিয়ে অ্যাকাউন্টটি লগইন করুন।

আইডি পাসওয়ার্ড সকল কিছু দেয়া হয়ে গেলে লগইন অপশনে ক্লিক করুন। আপনাদের সুবিধার জন্য একটি ছবি দেওয়া হলঃ

গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ
গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ

 

স্টেপ ৪ঃ

সাধারণত এবার লগইন করা হয়ে গেলে আপনাকে একটি নতুন ওয়েব পেজে নিয়ে যাবে। যেখানে আপনি অনেক ধরনের অপশন দেখতে পাবেন।

আরো পড়ুনঃ  ডিস লাইন ছাড়া টিভি দেখার উপায়: সহজ ৮টি পদ্ধতি

আমরা যেহেতু গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বের করবো সেজন্য আমাদের মোটরযানের তথ্য নামে একটি অপশন খুঁজে বের করতে হবে।

উক্ত অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনি নিচের দিকে মোটরযান সংযুক্ত করুন এ ধরনের অপশন পাবেন। ওখানে ক্লিক করলে আপনার সামনে একটি নতুন ফর্ম আসবে। ফ্রমে তথ্য দিয়ে আপনাকে পূর্ণ করতে হবে।

স্টেপ ৫ঃ

আপনার সামনে যে ফর্মটি আসলো সেটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। এখানে আপনাকে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিতে হবে।

আপনাকে অবশ্যই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের শেষ ৪ ডিজিট বা নম্বর দিতে হবে। মূলত আপনাকে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিতে হবে। তাহলেই আপনি যে কোন গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম জানতে পারবেন।

স্টেপ ৬ঃ

তথ্যগুলা সঠিক নিয়মে পূরণ করতে হবে। এখানে আপনাকে গাড়ির উৎপাদনের সাল দিতে হবে যেটি সাধারণত গাড়ির ট্যাক্স টোকেন কাগজে লেখা থাকে।

সেটি লিখে তথ্যগুলো পূরণ করে অনুসন্ধান নামক অপশনটিতে ক্লিক করবেন। তাহলে আপনার সামনে উক্ত গাড়ির সম্পর্কিত সকল তথ্য চলে আসবে। যেটি আপনি দেখতে পারবেন।

তাহলে আপনারা বুঝতে পারলেন কিভাবে গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম দেখবেন। আর এটি হল গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বের করার নিয়ম।

যার ফলে আপনি অতি সহজেই যে কোন গাড়ি কেনার আগে সেই গাড়িটি সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন অনলাইন এর মাধ্যমেই।

বিআরটিএ গাড়ির কাগজ চেক করুন সহজেই

প্রিয় দর্শক বন্ধুরা আপনারা কি পুরাতন গাড়ি বা মোটরসাইকেল কিনতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনাকে অবশ্যই সেই গাড়িগুলো সম্পর্কে তথ্য জানতে হবে।

অবশ্য জানতে হবে এই গাড়িটির প্রকৃত মালিক কে এবং গাড়িটির কোন খারাপ ইতিহাস আছে কিনা

অর্থাৎ বলতে গেলে গাড়িটির নামে কোন মামলা আছে কিনা সেটা জানতে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে বিআরটিএ গাড়ির কাগজ চেক করার মাধ্যমে জানতে পারবেন।

ধাপ ১ঃ

সর্বপ্রথম আপনাকে মোবাইল ফোনের যেকোনো ব্রাউজারে প্রবেশ করতে হবে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় গুগল ক্রোম ব্রাউজারে প্রবেশ করলে।

মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে “bsp.brta.gov.bd” লিখে সার্চ করবেন যেই ওয়েবসাইটি আসবে সেটিতে প্রবেশ করবেন।

এরপর আপনাকে উক্ত ওয়েবসাইটটিতে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। আর এই অ্যাকাউন্ট আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ীর নাম ও জন্ম তারিখ দিয়ে এবং নিজের নাম্বারও ইমেইল আইডি দিয়ে খুলবেন।

ধাপ ২ঃ

আপনার একাউন্টে যদি সফলভাবে খোলা হয়ে থাকে। তাহলে আপনি এখন আপনার ইউজার নেম এবং অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিবেন।

লগইন করা হয়ে গেলে এবার আপনার সামনে মোটরযান তথ্য নামে একটি অপশন আসবে সেটিতে ক্লিক করবেন।

ক্লিক করার পর আপনার সামনে একটি তথ্য আসতে পারে যে তথ্য পাওয়া যায়নি। এরপর আপনি মোটরযান সংযুক্ত করুন নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেটাতে ক্লিক করবেন।

ধাপ ৩ঃ

এরপর আপনার সামনে মোটরযানের তথ্য দেওয়ার জন্য এটি ফ্রম আসবে। এখানে আপনি আপনার গাড়ির বা মোটরযানের রেজিস্ট্রেশনের শেষের চার সংখ্যার নাম্বার দিতে হবে।

ধাপ ৪ঃ

এরপর ফর্মটিতে দেখতে পাবেন গাড়ির উৎপাদনের তারিখ ও বছর চাইবে যেটি আপনাকে সঠিক দিতে হবে।

এভাবে সকল তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে অনুসন্ধান অপশনটিতে ক্লিক করুন। এবার আপনার সামনে ওই গাড়িটি সম্পর্কে সকল তথ্য চলে আসবে। উক্ত গাড়িটির সকল তথ্য সহ মালিকের নামও দেখতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ  মোবাইল চার্জ দিলে দেখায় চার্জ হয় কিন্তু চার্জ হয় না: বিস্তারিত দেখুন

ধাপ ৫ঃ

এবার যদি আপনি ওই গাড়িটি সম্পর্কে কোন মামলা আছে কিনা সে সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনাকে উক্ত পেজের সংযুক্ত করুন অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

এরপর আপনি আবারো মোটরযান তথ্য নামে অপশন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করবেন। এবার আপনার সামনে গাড়িটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চলে আসবে। যেখানে আপনি উক্ত গাড়ির নামে মামলা আছে কিনা সেগুলো দেখতে পারবেন।

এভাবে আপনি গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম জানতে পারবেন সাথে সাথে গাড়ি সম্পর্কে সকল বিস্তারিত তথ্য যাচাই করতে পারবেন।

এছাড়াও গাড়ির নামে কোন মামলা রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে জানতে পারবেন। অনেক সময় দেখা যায় ওই ওয়েবসাইটটিতে নেটওয়ার্কের কারণে লোডিং হতে টাইম লাগে তাই আপনারা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবেন। সেটি তিন চার সেকেন্ড পর্যন্ত সময় নিতে পারে।

গাড়ির নাম্বার প্লেট যাচাই

আপনার অনেকেই নতুন অথবা পুরাতন গাড়ি কেনার পর গাড়ির নাম্বার প্লেট যাচাই করতে চান। তাদের ক্ষেত্রে আমরা উপরের গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশ অংশটিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

যার ফলে আপনারা আপনার পুরাতন গাড়ি হোক আর নতুন গাড়ি হোক যে কোন গাড়ির নাম্বার প্লেট যাচাই করতে পারবেন এবং গাড়ির মালিকের নাম জানতে পারবেন।

সেই সাথে গাড়ি সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাই অবশ্যই উপরের অংশটি ভালো করে পড়ে নিবেন তাহলে আপনি যে কোন গাড়ির নাম্বার যাচাই করতে পারবেন।

সরকারি অফিসিয়াল বিআরটিএ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চেক করবেন। এতে করে সহজেই নাম্বার প্লেট যাচাই করা যায়।

গাড়ির কাগজ চেক করার সফটওয়্যার

আমরা অনেকেই পুরাতন বা নতুন যে গাড়ি কিনে থাকি অনেক সময় গাড়ির কাগজ চেক করার প্রয়োজন পড়ে।

আপনি অতি সহজেই BRTA ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গাড়ি কাগজ চেক করতে পারবেন তাছাড়া আরেকটি মাধ্যম হলো গাড়ি কাগজ চেক করার জন্য সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। যেটি আমার এখন আলোচনা করব।

গাড়ির কাগজ চেক করার সফটওয়্যারটি হল CarInfo। আপনি আপনার মোবাইল ফোনে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে CarInfo লিখে সার্চ করবেন। আপনার সামনে এই সফটওয়্যারটি চলে আসবে সেটি আপনি ইন্সটল করবেন।

উক্ত সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি গাড়ির কাগজ চেক করতে পারবেন এছাড়া নতুন গাড়ি ক্রয় এবং বিক্রয় করতে পারবেন।

উক্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আপনারা সমস্ত যানবাহনের সকল তথ্য জানতে পারবেন। এসব গাড়ির বীমা করতে পারবেন এই অ্যাপের মাধ্যমে।

তবে বলতে গেলে গাড়ির কাগজ চেক করার জন্য বিস্তারিত তথ্য পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই BRTA এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে দেখে নিতে হবে। কারণ উক্ত সফটওয়্যারটির মাধ্যমে তেমন বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না।

মূলত গাড়ির কাগজ চেক করার সফটওয়্যার বলতে তেমন নির্দিষ্ট সফটওয়্যার নেই। যেটি আপনাকে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবে।

তাই আপনারা সকল যানবহন বা গাড়ি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিআরটিএ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেখতে পারবেন।

গাড়ির কাগজ চেক করার নিয়ম

আপনারা যখন কোন গাড়ি বা মোটরযান কিনতে যায় তখন আপনাদের অবশ্যই গাড়ি কেনার আগে তার কাগজ চেক করে নিতে হবে।

এটি হলো সর্বপ্রথম কাজ। তা না হলে আপনি পরবর্তীতে গাড়ি নিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারেন যদি না গাড়ির কাগজ ঠিক না থাকে।

আরো পড়ুনঃ  মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার নিয়ম: গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস 2026

তাই আপনাদের গাড়ির কাগজ ঠিক রয়েছে কিনা সেটা জানতেই কাগজ চেক করার নিয়ম জানতে হবে। এখন আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন যে কিভাবে গাড়ি কাগজ চেক করব।

অনলাইনে গাড়ির কাগজ চেক

আপনারা অনেকেই জানতে চান অনলাইনে গাড়ির কাগজ চেক করার নিয়ম। আপনি যদি অনলাইনে গাড়ি কাগজ চেক করতে চান তাহলে আপনাকে আর বিআরটিএ এর সরকারি অফিসে যেতে হবে না।

এখন আপনি অনলাইনের মাধ্যমেই গাড়ির কাগজ দেখতে পারবেন। নিম্নে নিয়মাবলী গুলো দেওয়া হলঃ

আপনি গাড়ির কাগজ চেক করার জন্য ফোনের মেসেজিং করার মাধ্যমে গাড়ির কাগজ চেক করতে পারবেন।

তার জন্য আপনাকে স্মার্টফোনের মেসেজ এপ্লিকেশন ওপেন করে মেসেজে গিয়ে DL < Space>Reference number লিখতে হবে এবং ২৬৯৬৯ নাম্বারটিতে মেসেজটি পাঠাতে হবে।

এরপর কিছুক্ষণ পর আপনার কাছে একটি মেসেজ আসবে যেখানে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল তথ্য দেওয়া থাকবে। যেখানে আপনি গাড়ির কাগজের স্ট্যাটাস পেয়ে যাবেন।

মেসেজ উদাহরণস্বরপঃ DL DM 3M0D5

এভাবেই আপনি চাইলে মোটরসাইকেলের রেজিস্টেশন চেক করে নিতে পারবেন মোবাইল ব্যবহার করে।

মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন চেক করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে NP<Space>DRC লিখে ২৬৯৬৯ নাম্বারে মেসেজটি পাঠিয়ে দিবেন।

কিছুক্ষণ পর আপনার কাছে একটি মেসেজ আসবে যেখানে আপনার মোটরসাইকেলের সকল তথ্য দেওয়া থাকবে।

গাড়ির নাম্বারপ্লেটে বাংলা বর্ণমালার অর্থ

আমরা সকলে জানি বিআরটিএ বাংলাদেশের সকল ধরনের গাড়ি চলাচলের জন্য অনুমতি প্রদান করে থাকে।

আর গাড়ি চলাচলের সময় একটি নাম্বার প্লেট দিয়ে থাকে। সাধারণত গাড়িকে এই নাম্বার প্লেট অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শ্রেণীতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

  • (ক) এটি সাধারণত ৮০০ সিসি প্রাইভেট কারের নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • আর ১,০০০- ১,৩০০ এর মধ্যে প্রাইভেট কার গুলোতে (খ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
  • তাছাড় ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ সিসি মধ্যে প্রাইভেট কার গুলোতে (গ) নম্বর ব্যবহার করা হয়।
  • (ঘ) এই বর্ণটি সাধারণত জিপ কার এ ব্যবহার করা হয়।
  • মাইক্রোবাস গুলোতে (চ) বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে নাম্বার প্লেটে।

এছাড়াও আরো নাম্বার রয়েছে যা আমি উল্লেখ করে নেই। আপনার এগুলো ইন্টারনেটে সার্চ করে বিস্তারিত নাম্বার গুলো জানতে পারবেন। আমি শুধুমাত্র কিছু কিছু গাড়ির ক্ষেত্রে নাম্বার প্লেটে বর্ণগুলো তুলে ধরেছি।

উপসংহার

সবশেষে বলা যায়, গাড়ির নাম্বার দিয়ে মালিকের নাম বাংলাদেশে সরাসরি অনলাইনে বের করার কোনো উন্মুক্ত ও সাধারণ সরকারি পদ্ধতি নেই।

তবে বিআরটিএর অফিসিয়াল সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে নির্দিষ্ট মোটরযান সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার সুবিধা রয়েছে।

যদি মালিকের পরিচয় জানার বৈধ কারণ থাকে যেমন দুর্ঘটনা, আইনগত বিষয়, গাড়ি কেনাবেচা বা মালিকানা যাচাই তাহলে বিআরটিএ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন, দরকার হলে আইনগত সাহায্য নিন।

অপরিচিত ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত তথ্য বের করার চেষ্টা না করাই নিরাপদ। একই সঙ্গে নিজের NID, OTP বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্যও কোনো অননুমোদিত সাইটে দেওয়া উচিত নয়।

Leave a Comment